৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়ের হ্যান্ড নোট
জেএসসি বা ৮ম শ্রেণির জন্য বিজ্ঞানের ২য় অধ্যায়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জীবের বৃদ্ধি ও বংগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই অধ্যায়টিতে। কোষ বিভাজন সহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে এই অধ্যায়টিতে।
জীবের বংগতির জন্য DNA & RNA কিভাবে জড়িত এসব কিছুও এই অধ্যায়টিতে আলোচনা করা হয়েছে।
জেএসসি এর ২য় অধ্যায়টিতে যেসব বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো হলো।
(ক) কোষ বিভাজন কি ও কিভাবে কোষ বিভাজন হয়।
(খ) কোষ বিভাজের শ্রেণি বিভাগ সমূহ।
(গ) মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।
(ঘ) বংগতি ও বংগতির বৈশিস্ট্যসমূহ।
(ঙ) কিভাবে পিতামাতার বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানদের মধ্যে আসে।
(চ) জিনতত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত তথ্যসমূহ।
(ছ) DNA & RNA নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এখানে।
মানবদেহের জীনগত কিছু বৈশিষ্ট্য পিতা-মাতা হতে সন্তানদের মাঝে আসে। এসব বিষয়গুলোর মধ্যে আচরণগত কিছু বৈশিষ্ট্য অন্যতম।
পিতার আচরণ বা পিতার শরীরের রং সন্তানদের মধ্যেও আসে। আবার মায়ের কিছু বৈশিস্ট্য আমাদের সন্তানদের মধ্যে ব্যপক পরিলক্ষিত হয়।
কোষ বিভাজনের কোন কোন পর্যায়ে কি ধরনের পরিবর্তন হয়। এবং কোষ বিভাজের শ্রেণিভাগের পর্যায়গুলোও আমাদের জন্য অনেক জরুরী একটি বিষয় বর্তমান সময়ের জন্য।
ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে আমাদের দেহের কোষ বিভাজনগুলো সুন্দরমত হয়ে থাকে।
মাইটোসিস কোষ বিভাজন সাধারণত আমাদের দেহ কোষে সংগঠিত হয়। এটি দেহের কাঠামো থেকে শুরু করে দেহের বিভিন্ন অংশের বৈশিষ্ট্য নিয়ে এখানে পরিপূর্ণ ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে।
মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে আমাদেরদ জনন মাতৃকোষের পরিবর্তন ও কিছু বৈশিষ্ট্য চলে আসে।
মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন কি ?
যেই কোষ বিভাজন আমাদের দেহ কোষে সংগঠিত হয় তাকেই আমরা বলে থাকি মাইটোসিস কোষ বিভাজন।
আবার, যেই কোষ বিভাজন আমাদের জনন মাতৃকোষে সংগঠিত হয়ে থাকে, সেসব কোষ বিভাজনকে বলা হয় মিয়োসিস কোষ বিভাজন।
